নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

নিমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার, সম্পর্কে জানার জন্য আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। নিউমোনিয়া হলো এক ধরনের ফুসফুস এর প্রদাহ রোগ। সাধারণত ছোট ছোট ব্যাকটেরিয়া ছত্রাক এই জীবন ও সংক্রমনের ফলে ফুসফুসে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। পৃথিবীতে প্রায় প্রতিবছর লক্ষাধিক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগটি সাধারণত শীতকালে বেশি মানুষের মাঝে দেখা দেয়।
নিউমোনিয়া-রোগের-লক্ষণ-ও-প্রতিকার
নিউমোনিয়া রোগ প্রায় শীতকালে ছোট শিশু থেকে বয়স্কদের মধ্যে এই রোগ দেখা দেয়। আর আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার প্রায় ২৫% থেকে ৩৫%। তাই আমাদের এই রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে হবে। কিভাবে এই রোগ থেকে দূরে থাকা যায় তা সম্পর্কে নিচের আর্টিকেলে বিস্তারিত দেওয়া হলো। নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার পাওয়ার জন্য নিচের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

আমরা নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানার আগে তার পরিচয় গুলো সম্পর্কে নিশ্চিত হই। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি সংক্রান্ত রোগ। সাধারণত ফুসফুসের বায়ু থলিতে অ্যালভিও লাই প্রদাহের আক্রান্ত হয়ে থাকে। নিউমোনিয়া হলে ফুসফুসের বায়ু থলিতে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। আর এটি সাধারণত ছোট বাচ্চাদের ও বয়স্ক দুর্বল লোকদের হয়ে থাকে তাই নিউমোনিয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন রোগ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়। ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস ও ফাঙ্গাস দ্বারা নিউমোনিয়া সৃষ্ট হয়।
সংক্রমনের ধরন অনুযায়ী রোগের তীব্রতা কমবেশি হয়ে থাকে। কখনো কখনো হালকা জ্বর কাশি দিয়ে শুরু হয়, যা পরবর্তীতে মারাত্মক রূপ নেয়। প্রায় দেশগুলোতে মনে একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। সময় মতো এর সঠিক চিকিৎসা না নিলে এটি প্রাণঘাতিক হতে পারে। তাই সময়ের সাথে সাথে নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আসুন নিচে নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

নিউমোনিয়া রোগের সাধারণ কারণ

নিউমোনিয়া রোগের সাধারণ কারণ হলো ব্যাকটেরিয়া। বিশেষ করে স্টেপ টক্সটাস্ক নিউমোনিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া হাঁচি কাশির মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুসফুসের সংক্রমণ ঘতাই। আমাদের শরীরে অক্সিজেনের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো ছোট ছোট কণা হয়ে ফুসফুসে মিলিত হয়। তা থেকে আমাদের শরীরে নিউমোনিয়ার রোগ দেখা দেয়।
সাধারণত শীতকালে এই রোগের সংক্রমণ প্রকোপ হারে বাড়ে। অতিরিক্ত ধুলাবালি, শীতল আবহাওয়া এবং ধূমপান এর কারণে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। যারা অনেকদিন থেকে ধূমপান করেন। তাদের ধূমপানের কারণে ফুসফুস দুর্বল হয়ে পড়ে, এর ফলে সহজেই নিউমোনিয়া রোগ আক্রমণ করে। আবার শরীরের অপুষ্টি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যার দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহারের কারণে রোগ  প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। যার ফলে নিউমোনিয়া রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়। নিউমোনিয়া রোগ এটি হল সংক্রান্ত রোগ। সংক্রান্ত অন্যের সংক্রমনের ফলেও এই রোগ হয়ে থাকে হাঁচি-কাশি মাধ্যমে।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ

নিউমোনিয়া হওয়ার লক্ষণ সাধারণত শুরুতে জ্বর, ঠান্ডা লাগা এবং শরীরে প্রচন্ড ব্যথা দেখা দেয়। অনেক সময় হালকা কাশি হয়। এবং সেটাকে আমরা সর্দি কাশি বলে ভেবে থাকি। এই পর্যায়ের রোগ গুলো কে আমরা আসলে কি রোগ তা সনাক্ত করতে পারিনা। নিউমোনিয়া রোগী অনেক ক্লান্ত অনুভব করে এবং বিভিন্ন কাজ করতে আগ্রহ হারায়। নিউমোনিয়া গুরুতর হলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শরীরে শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে ব্যথা অনুভব করে এবং দ্রুত শ্বাস নেওয়া ক্ষেত্রে কষ্ট হওয়ার এই রোগের বিপদজনক লক্ষণ। অনেক ক্ষেত্রে কাশির সাথে হলুদ বা সবুজ ও রক্ত মিশ্রিত কফ বের হয়। এবং জ্বর ধীরে ধীরে খুব বেশি হয়ে যেতে পারে। এবং শরীর কাঁপতে থাকে। এর কারণগুলোর জন্য বয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে বারবার বিভ্রান্ত বা অজ্ঞান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সবসময় শরীরে ক্ষুধা মন্দা ও মাথাব্যথা দেখা দেয়।
আর অন্যদিকে শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক কান্নাকাটি বেড়ে যায়। এবং খাবার বা বুকের দুধ না খাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। শিশুদের নিউমোনিয়া বিপদজনক হওয়ার উল্লেখিত কারণগুলো হলোঃ শিশুদের নাক ফুলে যাওয়া, বুক দেবে যাওয়া, এবং ঠোঁট  ও নখ নীলচে হওয়া নিউমোনিয়ার মারাক্তক লক্ষন। আর এসব লক্ষণ যদি দেখা দেয় তাহলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়া রোগের ঝুঁকি 

শিশুদের ক্ষেত্রে প্রায় পাঁচ বছর এর কম বয়সী শিশুদের নিউমোনিয়া রোগ এ বেশি আক্রান্ত হয়। আর ছোট শিশুদের তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি গড়ে ওঠে না তাই তারা সহজেই নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে, তাদের বয়সের সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। যা ফুসফুসে কার্য ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, ও হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপ এর মত সমস্যা থাকলে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
শিশু ও বয়স্ক নিউমোনিয়া লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ অসুস্থতার মতো মনে হতে পারে। তাই এই দুই শ্রেণীর ক্ষেত্রে সামান্য লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। কারণ এটি অত্যন্ত বিপদজনক রোগ। আমাদের সবসময় শিশু ও বয়স্কদের সুস্থতার জন্য তাদের অসুস্থতার কারণগুলো নিশ্চিত করে নিতে হবে।

নিউমোনিয়া রোগের নির্ণয় উপায়

যখন কেউ বুঝতে পারে যে তার নিউমোনিয়া হয়েছে তখন সে চিকিৎসকের কাছে যায়। এবং চিকিৎসক প্রথমে তার উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষা করেন। স্টেথোস্কোপ দিয়ে ফুসফুসের অস্বাভাবিক শব্দ শোনা নিউমোনিয়ার লক্ষণ হতে পারে। এবং এক্সরে হল নিউমোনিয়া পরীক্ষা করার বা নির্ণয় করার কার্যকর মাধ্যম। এতে ফুসফুসের সংক্রমনের মাত্রা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এবং প্রয়োজনে আরো রক্ত পরীক্ষা ও কফ পরীক্ষা করা হয়।
আবার কখনো কখনো অক্সিজেন মাত্র পরিমাপ করা হয়। ঠিকমতো ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে কিনা তা জানার জন্য। সাধারণত এইগুলোই চিকিৎসকের নিউমোনিয়া রোগ নির্ণয় করা সঠিক উপাই।

নিউমোনিয়া রোগের ঘরোয়া প্রতিকার

নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করার জন্য সহায়তা করে। উষ্ণ তরল যেমন গরম পানি বা হারবাল চা কফ পাতলা করতে সাহায্য করে। নিউমোনিয়ার রোগির জন্য বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। অতিরিক্ত কাজ বা শারীরিক পরিশ্রম করলে রোগ সেরে উঠতে দেরি হয়। ধূমপান সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে।
ঘর পরিষ্কার রাখা এবং পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাফলের ব্যবস্থা নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সহায়ক।
  • ধূমপান বন্ধ করুন।
  • শিশুদের ফলু ভ্যাকসিন দেওয়া।
  • ব্যবস্থা করতে পারেন বা ভ্যাকসিন নিতে পারেন।
  • নিউমোনিয়া রোগ হলে মুখ নাক ঢেকে রাখুন।
  • ধোয়া ও ধুলো এড়িয়ে চলা।
  • পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া ।
  • গরম জাতীয় খাবার খাওয়া ইত্যাদি। 

নিউমোনিয়া রোগ শিশুদের জন্য নিরাময়ের উপায়

নিউমোনিয়া রোগ সাধারণত কম বয়সী শিশুদের জন্য খুব বড় ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ার রোগ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হসপিটালে ভর্তি করতে হবে। এছাড়া অন্যান্য কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের নিউমোনিয়া রোগ নিরাময় করতে হবে সেগুলো হলঃ
  • শিশুদের সময় মত সব টিকা প্রদান করা।
  • শিশুর জন্মের ছয় মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • এবং নিউমোনিয়ার হয়েছে এমন কিছু লক্ষ্য করলে নরম জাতীয় বা পানি জাতীয় যেমন সুপ  খাবার খাওয়ান। এতে শরীরের জলে যোগান বজায় থাকে।
  • বাসায় সব সময় কাশির ওষুধ রাখতে হবে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করে।
  • সব সময় গরমের মধ্যে বাচ্চাকে রাখুন।
  • গরম পানির মধ্যে সামান্য পরিমাণ লবণ দিয়ে নেওয়া সেই পানিতে  ভাপ নিতে পারেন।
নিউমোনিয়া-রোগের-লক্ষণ-ও-প্রতিকার

আরো পড়ুনঃ

নিউমোনিয়া সঠিক সময়ে সঠিকভাবে চিকিৎসা করা হলে নিউমোনিয়া পুরোপুরি নিরাময় হতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ মতো লাগে। তবে যদি রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে এর থেকে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। বয়স্ক মানুষ যাদের হাট, ফুসফুস কিডনি স্নায়বিক দুর্বল যুক্ত মানুষের  অনেকটা সময় লেগে যায়। রোগের ডায়াবেটিস থাকলে নিউমোনিয়া রোগটি সমস্যা বারবার হতে পারে। কিছু কিছু বিশেষ রোগ যেমন ক্যান্সার আই-আই-ভি এই রোগ গুলো ইমিউনিটিকে দুর্বল করে ফেলে। এই ধরনের রোগের নিউমোনিয়া থেকে সেরে উঠতে বেশ সময় লাগে। 

নিউমোনিয়া চিকিৎসকের পরামর্শে নিরাময়

নিউমোনিয়া রোগ সাধারণত চিকিৎসায় ফুসফুসের প্রদাহের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এবং এই রোগটি বাড়ি থেকে নিরাময় করা সম্ভব হয়। নিউমোনিয়া রোগ যদি ভয়াবহ ভাবে বৃদ্ধি পায় তাহলে ডাক্তার তখনই মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয়। আর ভর্তি হওয়ার পর যে প্রধান চিকিৎসা গুলো দেওয়া হবে সেগুলো হলঃ 
  • প্রথমে জর এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এর ওষুধ।
  • এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ। 
  • কফের মেডিসিন ব্যবহার।
  • শ্বাস প্রশ্বাহের এর যদি কম থাকে তাহলে অক্সিজেন দেয়।

নিউমোনিয়া রোগের সুষম খাদ্য তালিকা

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার, এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম খাদ্য। নিউমোনিয়া রোগের সাথে লড়াই করার জন্য শরীরে সুষুম খাদ্য খুবই জরুরী। শরীরের শক্তি বা যোগান বেশি দেয় এমন খাবার খাওয়া প্রয়োজন। যেমনঃ
  • গরম গরম দুধ।
  • ডাবের পানি, তাজা রস এবং বাটার মিল্ক বা ঘোল।
  • পনির, ডাল, লেবুর মত খাবার।
  • সবুজ শাকসবজি।
  • গরম গরম স্যুপ।
  • টক দই জাতীয় খাবার ইত্যাদি। 
আর অন্যদিকে যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে সেগুলো হলঃ ঠান্ডার কোন কিছু যেমন,
  • ঠান্ডা পানি।
  • ঠান্ডা খাবার।
  • খাবারে অতিরিক্ত লবণ। 
  • কোন ফ্যাট জাতীয় খাবার ইত্যাদি।

লেখকের মন্তব্যঃ নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

 নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার, উপরের বিষয়গুলো সতর্কতা অবলম্বন না করলে নিউমোনিয়া রোগ মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে না । শিশুদের ও বয়স্কদের বেশি বেশি যত্ন নিলে  সহজেই নিউমোনিয়া রোগ প্রতিকার করতে সহজ হবে। এটা যেহেতু শীতকালে বেশি দেখা দেয় তাই নিউমোনিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশির সময় একটু আদ্রতা রাখা জরুরী। এভাবে শ্বাসনালীতে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা অনেকটাই সম্ভব হবে। উপরোক্ত বিষয় সম্পর্কে আমাদের সবার ধারণা এবং জানা অত্যন্ত জরুরী। উপরের বিষয়গুলো লক্ষ্য করে নিউমোনিয়া লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আশা করি সহজ হয়েছে।
আশা করি আপনি এই আর্টিকেলটি থেকে উপকৃত হয়েছেন। আপনি যদি উপরের নিয়মাবলী গুলো সঠিকভাবে পালন করেন তাহলে আপনার নিউমোনিয়া রোগ সহজ হবে। আপনি যদি উপরে আর্টিকেল থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে একটি কমেন্ট করে যাবেন। এবং আপনার বন্ধুর কাছে আর্টিকেলটি শেয়ার করবেন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst. Rubi Khatun
Mst. Rubi Khatun
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট গেনের বারি ওয়েবসাইটের এডমিন । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।